প্রচ্ছদ বিনোদন প্লেব্যাক করলেন কাজী শুভ

প্লেব্যাক করলেন কাজী শুভ

1181
0
কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভ। ছবিঃ সংগৃহীত

লোক সংগীতের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভ। ছোটবেলা থেকে তবলা বাজানো শিখেছেন তবে গান গাওয়ার প্রতি তার আকর্ষণ বেশি ছিলো। স্নাতক করতে ঢাকায় পাড়ি জমান তিনি, মাঝে মাঝে তবলা বাজাতেন এবং মঞ্চে গান গাইতে শুরু করেন। পরবর্তীতে শিল্পী শহিদের সাথে পরিচয় হলে ২০০৯ সালের ‘সাদামাটা’ এ্যালবামের মাধ্যমে তার প্রতিভার আত্মপ্রকাশ ঘটে। কাজী শুভ’র গানের শুরু, বর্তমান ব্যস্ততা ও আনুষঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে মুঠোফোন আলাপে জানার চেষ্টা করেন আশরাফুল ইসলাম আকাশ

প্রশ্নঃ কেমন আছেন কি করছেন?
কাজী শুভঃ এইতো আছি, আলহামদুলিল্লাহ। প্রশ্নঃ বর্তমান ব্যস্ততা কি নিয়ে? কাজী শুভঃ নতুন বছর উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন(ডিএমএস) এর ব্যানারে হানিফ খানের কথা ও সুরে ‘কলঙ্ক’ শিরোনামের গানটি গেয়েছি। এছাড়াও নতুন কিছু গান মিউজিক ভিডিও আকারে আসতেছে।

প্রশ্নঃ আপনার প্রথম এ্যালবাম ‘সাদামাটা’ নিয়ে কিছু বলুন-
কাজী শুভঃ ‘সাদামাটা’ এ্যালবাম ৯টি গান ছিলো, সবগুলো গানের সুর ও সংগীত করেন আরিফিন রুমি। ২০০৯ সালের প্রকাশিত হওয়া এ এ্যালবাম আমার প্রথম হওয়াতে খুব বেশি এক্সাইটেড ছিলাম। সাদামাটা এ্যালবামটি রুমির করা প্রথম ফিচারিং আর আমারও প্রথম এলবাম দু’জনে মিলে আমাদের বেস্ট এফোর্ট টা দিছি। রুমির দিন রাতের পরিশ্রম আর শহিদ ভাইয়ের অনুপ্রেরণার কারনেই এ এলবামটি লঞ্চিং করা সম্ভব হয়েছিলো।

প্রশ্নঃ লোক সংগীতের কারনে আপনি বেশ জনপ্রিয়, বিষয়টি কেমন লাগে?
কাজী শুভঃ আমার কাছে মনে হয় আমি বেসিক ফোক গানের শিল্পী না কিন্তু ফোক গানটা আমার স্টাইলে, আমার ঢংগে গাই আর সেটাই শ্রোতারা ভালোভাবে নিছেন আরকি।

প্রশ্নঃ নতুন এলবাম আসবে কি?
কাজী শুভঃ এ সময়ে এলবাম একবারেই স্বপ্নের মতো। এ সময়ে এমন পাগলামি কে করে? দেখুন অডিও ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা বেশি ভালো না, প্রোফেশনালি যারা কাজ করছে শুধু তারা হয়তো ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার জন্যই করে যাচ্ছে।

প্রশ্নঃ নতুন কোনো সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন কিনা?
কাজী শুভঃ ‘নন্দীনি’ নামক একটি সিনেমায় আমার সুর করা একটি গান করেছি, তবে গানের শিরোনাম এখন বলতে পারব না। হয়তো নতুন বছরেই সিনেমাটি আসছে। সিনেমাটির পরিচালক রাসেল ভাই এবং হিরো হিসেবে দেখা যাবে কলকাতার ইন্দ্রনীলকে।

প্রশ্নঃ সিডি নাকি ইউটিউব কোন মাধ্যমটি বেশি উপভোগ করবার মতো?
কাজী শুভঃ আসলে সত্যি কথা বলতে, আমরা সিডি-ক্যাসেট পাইছি সেহেতু এখন ঐ সময়টা মিস করি। কেননা তখনকার সময়ে গান প্রকাশ হলে মানুষ অডিওতে বেশি গুরুত্ব দিত। একটি এ্যালবামে ৯-১০টি গান বানিয়ে নতুন নতুন সিডি-ক্যাসেট প্রকাশ এবং শ্রোতারা কতগুলো সিডি-ক্যাসেট সংগ্রহ করছে, এই বিষয়গুলো ছিলো বেশ আনন্দের। তবে একটি এ্যালবামে ৯-১০টি গান থাকলে হইতো কি, শ্রোতাদের কোনো ১টি গান ভালো লাগলে পুরো এ্যালবামের স্বার্থকতা। এখনকার সময়ে ১০টি গানের শ্রম একটি গানে করতে হয় তারপরও একই টেনশন কাজ করে এবং সেই গানটি দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগবে কিনা। ডিজিটাল মাধ্যমের কারনে আগের থেকে হয়তো অনেক দর্শক-শ্রোতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গানও শুনছেন। বর্তমান সময়ে অনেক বেশি অস্থিরতা কাজ করে কেননা একটা গান শুনছে হুট করেই সহজেই গান পরিবর্তন করে আরেকটি শুনছে এতে করে গানের দোষ-গুন বিচার করা সম্ভব নয়।

প্রশ্নঃ দর্শক-শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন-
কাজী শুভঃ বিজয়ের মাসে প্রতিটি বাঙালীর জয় হোক। নতুন বছরে নতুন গান আসছে, আশাকরি সবাইকে ভালো লাগবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য যুক্ত করুন
আপনার নাম লিখুন