প্রচ্ছদ জাতীয় পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ার কারনে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির স্বিকার

পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ার কারনে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির স্বিকার

102
0
পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ার কারনে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির স্বিকার
পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ার কারনে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির স্বিকার

বরগুনা বেতাগী উপজেলার ৫নং বুরামজুমদার ইউনিয়নে পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ার কারনে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির স্বিকার হয়েছেন স্ত্রী এবং ছেলের বাবা।  জানাজায়, ২০০৮ সালে ৬ নং কাজিরাবাদ ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ডের। মোহাম্মদ আইনুদ্দিনের ছোট কন্যা চম্পা নামে মেয়ের সাথে প্রেম করেন সুমন মিয়া। স্থানীয় লোকজনের হাতে ধরা খায় সুমন মিয়া।মেয়ের পক্ষে থেকে  বেতাগী থানায় অভিযোগ দিলে সেখান থেকে পুলিশ এসে ছেলের বাবাকে নিয়ে একপর্যায়ে ছেলে ও মেয়েকে বিবাহ আবদ্ধ করা হয়। ছেলে এবং মেয়ের।

এতটা বছর ভালই চলছিলো তাদের। কিন্তু এই সুখের সংসারে হয়েছে একটি পুত্র সন্তান নাম শিহাব তালুকদার বয়স ১১ সে ছেলে ২৪ পাড়া কোরআনে হাফেজ। এতটা বছর ভালোই ছিল সুখের জন্য স্বামীকে পাঠাইছিলো প্রবাসে কিন্তু কপালে হলি না বিনিময়ে বুক ভরা দুঃখ। কালো মেগ। অভিযুক্ত সুমনের অপকর্ম এতটাই বেরে গেছে যে সুমনের পরিবার দিশেহারা হয়েছে। ২০১৬ সালে নারী ও শিশু ধর্ষণ মামলা হয় মামলা নাম্বার ৯২ এই মামলায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী সুমন।এছারাও একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামি সুমন।

আলতাফ তালুকদার দিশেহারা হয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে প্রস্তুতি নেয় সেখানে দরকার টাকার৷  কোথায় পাবে এত টাকা ছেলের শ্বশুরবাড়ির থেকে চাম্পার  বড় ভাই হাজি সিদ্দিকুর রহমানের কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা  সুমনের বাবা ঋণ করে এবং তার চাষ আবাদের জমিনটুকু ও বন্ধক রেখে জোগাড় করে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। তা দিয়ে সুমন কে দেশের বাইরে পাঠান তার বাবা। 

এ বিষয়ে চাম্পা বলেন, এক ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটে তার। তবে তার ধারনা বামনার ঐ মেয়ের সাথে বিবাহ হয়নি তার স্বামীর। 

এ বিষয়ে সুমনের বাবা বলেন, মালায়েশিয়া গিয়া দুই তিন মাস তাদের সাথে যোগাযোগ রাখে তারপরে আর তাদের খোজ খবর নেয় না৷ পরকিয়ায় জরায় বামনা থানার এক মেয়ের সাথে। কতটুকু সত্য না মিথ্যা তা জানেনা তার পরিবার৷ মেয়ের নাম ময়না। 

হাজি সিদ্দিকুর রহমান

বরগুনা

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য যুক্ত করুন
আপনার নাম লিখুন