প্রচ্ছদ জাতীয় বৃষ্টির দিনেও থেমে নেই ঢাকা আরিচা মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ

বৃষ্টির দিনেও থেমে নেই ঢাকা আরিচা মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ

202
0

মোঃ আরিফুর রহমান অরি, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : বৃষ্টির দিনেও থেমে নেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের চার লেনে সড়ক ও জনপথের উন্নয়নের কাজ। মহাসড়কটি চার লেন হলে কেবল মানিকগঞ্জবাসীই নন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে। ঢাকার নবীনগর থেকে পাটুরিয়া পর্যন্ত সড়কটি দুই লেনবিশিষ্ট। এটি চার লেনে উন্নীতকরণ হলে এর ওপর চাপ ও যানজট অনেকাংশে হ্রাস পাবে। এ পথে চলাচলকারীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে ৷

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বারখ্যাত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক । ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ৯০ কিলোমিটার। এই মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে নবীনগর পর্যন্ত চার লেনের হলেও পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৫৭ কিলোমিটার অংশ দুই লেনের। এটি এখন চার লেনের করা হচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্র জানায়– রাজধানীর সাথে দেশের সব এলাকার উন্নত যোগাযোগ স্থাপনের জাতীয় মহাসড়ক উন্নত করার মহাপরিকল্পনা হিসাবে এই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ককে চার লেনে করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে পদ্মাপাড়ের মানুষের যানজটের দুর্ভোগ লাগবের পাশাপাশি স্বল্পসময়ে আরিচা ঘাটে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলছে ডেডিকেটেড সার্ভিস লেন নির্মাণ, মূল সড়ক প্রশস্তকরণ, হার্ডশোল্ডার নির্মাণ, পেভমেন্ট সার্ফেসিং,নিরাপদ এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ, রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ, ট্রাক রেস্ট এরিয়া নির্মাণ, আরসিসি কালভার্ট নির্মাণ, বেইলি সেতু স্থাপন এবং ফুটপাত নির্মাণ কাজ।

প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-সাভার-আরিচা মহাসড়কে যানজট নিরসনেও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। এর পাশাপাশি হেমায়েতপুর, সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ সড়কে ৩৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বর্তমান আঁকাবাঁকা সড়ক সোজা করা হবে। প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মিটার দূরবর্তী কৃষি জমি অধিগ্রহণের পর হেমায়েতপুর থেকে মানিকগঞ্জ শহরে বাইপাস নির্মাণের কথা রয়েছে। অপরদিকে, মানিকগঞ্জ শহরের তরাসেতু পার হয়ে চার কিলোমিটার দূরে বানিয়াজুড়ি পর্যন্ত ৩৫ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি ‘অ্যালাইনমেন্ট ট্রানজেকশন’র ব্যবস্থা করা হবে। ২ হাজার ৬৯২ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ, ৮ দশমিক ৬৬ লাখ ঘনমিটার মাটির কাজসহ সাড়ে ২৪ কিলোমিটার ‘ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট’ প্রশস্ত করা হবে। এই ফোর লেনে ৪ দশমিক ৬ কিলোমিটার ইউ-ড্রেন ও আরসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে ১৭ কিলোমিটার টো-ওয়াল, ২ দশমিক ২ লাখ বর্গমিটার গ্রাস টার্ফিং, ১৭ কিলোমিটার জিওটেকস্টাইলসহ কংক্রিট স্লোপ প্রটেকশনের কাজ করা হবে।

এছাড়া, মহাসড়কে থাকবে আধুনিক ট্রাফিক সাইন, সাইন পোস্ট, কংক্রিট পোস্ট ও থার্মোপ্লাস্টিকসহ নান্দনিক সব রোড মার্কিং।চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর।